নিউজঃ

চাকুরী পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য আমাদের সাথেই থাকুন।।

Monday, 30 November 2020

দ্যা রাইম অব দ্যা এনশিয়েন্ট মেরিনার এর সারাংশ

দ্যা রাইম অব দি এনশিয়েন্ট মেরিনার' এস. টি কোলরিজ রচিত বিখ্যাত তিনটি কবিতার একটি। এটি লিরিক্যাল ব্যালাড কাব্যগ্রন্থের ২য় কবিতা। অপরাধ, আপরাধবোধ, আপরাধবোধের শাস্তিকে উপজীব্য করে কবিতাটি রচিত হয়েছে। জীবে প্রেম করে যেইজন সেইজন সেবিছে ঈশ্বর-এ কবিতার মূল বিষয়বস্তু।

বিয়ের অনুষ্ঠানে গমনরত তিন যুবকের একজনকে বৃদ্ধ মেরিনার থামালে যুবক এনশিয়েন্ট মেরিনারের চোখের মায়াজালে আটকে যায় এবং এনশিয়েন্ট মেরিনারের যৌবনকালে ঘটে যাওয়া সমুদ্র যাত্রার কাহিনী মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনতে বাধ্য হয়। মেরিনারের ভাষায়, অনুকূল শান্ত সমুদ্র থেকে মেরিনার যাত্রা শুরু করেছিল। হঠাৎ করেই সমুদ্র ঘন অন্ধকারে ছেয়ে যায়।



এক দৈত্যাকার ঝড় মেরিনারের জাহাজটিকে ধাওয়া করে তাড়িয়ে নিয়ে যায়। দ্রুত জাহাজটি একটি হিমশীতল কুয়াশা এবং তুষার এর দেশে এসে পড়ে। যেখানে সফেদ বরফ মাস্তুল সমান উচু ছিল। এক কিংকর্তব্যবিমূঢ় পরিবেশ দ্বারা জাহাজ পরিবেষ্ঠিত ছিল। ঠিক তখনই নাবিকরা আলবাট্রস নামের একটি সামুদ্রিক পাখি দেখতে পায়। এটি জাহাজের চারিদিকে উড়তে থাকে। দক্ষিণ থেকে বাতাস এসে জাহাজটিকে হিমশীতল অঞ্চলের বাইরে নিয়ে যায়। এটা দেখে নাবিকেরা আলবাট্রসকে তাদের সৌভাগ্যের প্রতীক মনে করতে শুরু করে। হঠাৎ মেরিনারের মুখে বেদনার ছাপ ফুটে ওঠে এবং বিবাহের অতিথি এটা খেয়াল করে তাকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে, এনশিয়েন্ট মেরিনার স্বীকার করে যে সে তার ক্রস বো ছুড়ে আলবাট্রস কে হত্যা করেছিল। প্রথমে অন্যান্য নাবিকেরা এমন পাখিকে মেরে ফেলার জন্য এনশিয়েন্ট মেরিনারের উপর প্রচন্ড রেগে ছিল।

কিন্তু পরে যখন অচিরেই কুয়াশা কেটে যায়, তখন নাবিকেরা নিষ্পাপ পাখিটির হত্যাকে সমর্থন করে বলে, যে পাখি আসলে বাতাস বা কুয়াশা আসে তাকে হত্যা করাই শ্রেয়। তারা তখন মেরিনার কে অভিনন্দন জানায়। কিন্তু তারপরেই অতি দ্রুত বাতাস থেমে যায় এবং একটি নীরব শান্ত সমুদ্রে তারা আটকা পড়ে। তারা সবাই তীব্র পিপাসায় কষ্ট পেতে থাকে। মাথ্যার উপরে কপারের মতো  উষ্ণ রক্তাক্ত লাল সূর্য তার তাপ বর্ষণ করতে থাকে অনবরত। রাতে পচতে থাকা সমুদ্র থেকে কর্দমাক্ত প্রাণী বেরিয়ে আসে। পিপাসায় বৃদ্ধ নাবিকের গলা শুকনো বালুরাশির মতো খা খা করে। নাবিকরা ভয়ে হতাশাগ্রস্ত হয়ে তাদের দুর্দশার জন্য এনশিয়েন্ট মেরিনার কে দায়ী করে এবং গলায় আলবাট্রসের মৃতদেহ ঝুলিয়ে দেয়।

হঠাৎ করে পশ্চিম দিগন্তে একটি ছোট রেখা দেখা দেয়। যেটি কাছে এসে ভৌতিক জাহাজ রূপ নেয়। ভৌতিক জাহাজে লাইফ ও লাইফ ইন ডেথ জুয়া খেলে। লাইফ ইন ডেথ জয়ী হয়ে এনশিয়েন্ট মেরিনারকে পুরস্কার হিসেবে পায়। ইতোমধ্যে সকল নাবিক মারা যায়। মেরিনার কেবল তার অপরাধের জন্য আরো কঠিন শাস্তি ভোগের জন্য বেচে থাকে একাকী নির্জন বিশাল সমুদ্রে। যেহেতু সে স্রষ্টার সৃষ্টি কে হত্যা করে স্রষ্টার প্রতিও াবমাননা করেছে, তাই সে স্রষ্টা ও তার সৃষ্টি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। সাতদিন সাত রাত ধরে সে এই দুর্বিষহ শাস্তি ভোগ করে। আর ডেকে থাকা মৃত ব্যক্তিদের খোলা চোখগুলো যেন ানবরত তাকে অভিশাপ দিয়ে যাচ্ছিলো। তারপর পরিস্থিতি কিছুটা ভাল হয়। মেরিনার চাদের আলোতপনিতে ভাসমান জ্বলজ্বলে সাপগুলোর প্রতি কেমন এক মায়া অনুভব করে। সাপগুলোকে ভয়ংকর সুন্দর দেখাচ্ছিল। মনের অজান্তেই মেরিনারের কণ্ঠে ধ্বনিত হলো স্রষ্টার সৃষ্টি এতো সুন্দুর। অবিলম্বে সে প্রার্থনা করতে সক্ষম হয় এবং তার ঘাড়ে ঝুলে থাকা মৃত আলবাট্রস পাখি সাগরে গিয়ে পড়ে।

এখান থেকে, প্রায়শ্চিত্ত প্রক্রিয়া চলতে থাকে তার। সে ঘুমাতে সক্ষম হয়। ঘুম থেকে জেগে দেখে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বৃষ্টি যেন কাছে এসে তাকে সান্ত্বনা দেয়। সে একটা শীতল অনুভূতি পায় মনে। হঠাৎ এক শক্তিশালী বাতাসের গর্জনের সাথে সাথে জাহাজ এগোতে থাকে। তার অন্য নাবিকদের মৃতদেহগুলো জেগে োঠে। তারা বৈঠা তাতে কাজ শুরু করে। কিন্তু কেউ কারো সাথে কথা বলে না। বৃদ্ধ নাবিক তার নিজের দেশে ফিরে আসে এবঙ এক সাধুর কাছে তার অপরাধ স্বীকার করে তার আন্তরের অনুশোচনা থেকে মুক্তি চায়। তখন সেই সাধক তাকে তার এই ঘটনা প্রত্যেক জীবিত মানুষের কাছে পৌছে দিতে বলে। যখনই বৃদ্ধ নাবিক নিজের অনুশোচনায় কষ্ট পেতে থাকে তখনই কোন ব্যক্তিকে এই কাহিনী শোনালে তার কষ্ট লাঘব হয়।


No comments:

Post a Comment

শরৎচন্দ্র চট্টপাধ্যায়ের ২৫ টি উপন্যাস মনে রাখার সহজ টেকনিক

বিজ্ঞান থেকে পরীক্ষায় আসার মতো খুবই গুরুত্বপূর্ণ ১১২ টি প্রশ্ন

বিজ্ঞান ১। সিজিএস পদ্ধতিতে কাজের একক আর্গ। ২। ১ জুল=  (১০ টু দি পাওয়ার ৭)। ৩। বলের একক ডাইন। ৪। ১ H.P=746 ওয়াট। ৫। সর্বাপেক্ষা বেশি দক্ষতাসম...