বিজ্ঞান
১। সিজিএস পদ্ধতিতে কাজের একক আর্গ।
২। ১ জুল= (১০ টু দি পাওয়ার ৭)।
৩। বলের একক ডাইন।
৪। ১ H.P=746 ওয়াট।
৫। সর্বাপেক্ষা বেশি দক্ষতাসম্পন্ন ইঞ্জিন-বৈদ্যুৎ মোটর।
৬। বরফের ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে কম।
৭। অতিরিক্ত মাল বোঝায় এড়ানোর জন্য জাহাজের গায়ে যে চিহ্ন থাকে তাকে-প্লিমসল
লাইন বলে।
৮। বক্র বহিরাবরনের কারণে ডিমকে চাপ দয়ে ভাঙা যায় না।
৯। তাপমাত্রা বাড়লে তরলের পৃষ্ঠটান হ্রাস পায়।
১০। ক্যাসেটের ফিতায় শব্দ রক্ষিত থাকে চৌম্বক ক্ষেত্র হিসেবে।
১১। শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ-শূন্য।
১২। পানিতে শব্দের বেগ বায়ুর তুলনায় ৪ গুণ বেশি।
১৩। বাতাসের আদ্রতা বাড়লে শব্দের বেগ বাড়ে।
১৪। বর্ষাকালে শব্দ বায়ু মাধ্যমে দ্রুততর চলে।
১৫। বাতাসের উষ্ণতা বাড়লে শব্দের বেগ বাড়ে।
১৬। আমাদের মস্তিষ্কে শব্দের স্থায়িত্বকাল-০.১ সেকেন্ড।
১৭। এসআই পদ্ধতিতে তাপের একক-জুল। সিজিএস পদ্ধিতিতে ক্যালরি।
১৮। তাপমাত্রার কোন স্কেলে শুন্য ডিগ্রি সবচেয়ে ঠান্ডা-কেলভিন স্কেলে।
১৯। পরম শুন্য তাপমাত্রা= -২৭৩ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড।
২০। পরম শুন্য তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তন শুন্য।
২১। এভারেস্টের চূড়ায় পানি ফুটতে থাকে-৭০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড উষ্ণতায়।
২২। আকাশ মেঘলা থাকলে শিশির পড়ে না কারণ মেঘ তাপরোধী বলে।
২৩। কার্বুরেটর থাকে পেট্রোল ইঞ্জিনে।
২৪। রেফ্রিজারেটরে কমপ্রেসরের কাজ ফ্রেয়নকে ঘনীভূত করা।
২৫। থার্মোফ্লাক্স দুই স্তর বিশিষ্ট।
২৬। পেরিস্কোপ তৈরি-আলোর প্রতিফলন ও ব্যতিচার নীতির উপর।
২৭। মোটরগাড়ীতে ব্যবহার করা হয় উত্তল দর্পন।
২৮। নাক, কান ও গলার ভিতরের অংশ দেখতে ব্যবহার করা হয়-অবতল দর্পন।
২৯। সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টরে অবতল লেন্স ব্যবহার করা হয়।
৩০। রংধনুতে মধ্যম রং-হলুদ।
৩১। বর্ণান্ধরা লাল, নীল, সবুজ (মৌলিক রং) বুঝতে পারে না।
৩২। নীল কাচকে উত্তপ্ত করলে হলুদ রং বের হয়।
৩৩। বরফ সাদা দেখায় কারণ সবগুলো রং প্রতিফলন করে বলে।
৩৪। নভোচারীরা আকাশের রং দেখতে পায়-কালো।
৩৫। গোধূলির কারণ-আলোর বিক্ষেপন।
৩৬। আমাদের দর্শানুভূতি সবচেয়ে বেশি-হলুদ ও সবুজ আলোতে।
৩৭। লাল আলোতে আমাদের দর্শন ক্ষমতা প্রায় শূন্য।
৩৮। বিষম দৃষ্টির লোকদেরকে টরিক লেন্স ব্যবহার করতে দেওয়া হয়।
৩৯। রেটিনা এবং চক্ষু লেন্সের মধ্যে থাকে-ভিট্রিয়াস হিউমার।
৪০। বাসা বাড়িতে সরবরাহকৃত বিদ্যুতের ফ্রিকুয়েন্সি হলো-৫০ হার্জ এবং ভোল্টেজ
২২০ ভোল্ট এসি।
৪১। বিদ্যুৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি-রূপার।
৪২। উষ্ণতা বাড়লে রোধ বাড়ে।
৪৩। তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে কার্বনের রোধ কমে।
৪৪। ১ কিলোওয়াট ঘন্টা=৩৬০০ কিলোজুল।
৪৫। কমুটেটর থাকে ডিসি মোটরে।
৪৬। হঠাৎ বিদ্যুত শক্তি চলে যাওয়াকে ব্লাক আউট বলে।
৪৭। গামা রশ্মির চার্জ ও ভর নাই।
৪৮। সৌর শক্তি চালিত বিশ্বের প্রথম রেলওয়ে সুড়ঙ্গ-বেলজিয়ামে।
৪৯। বিশ্বের সর্ববৃহৎ সৌর শক্তি কেন্দ্র-যুক্তরাষ্ট্রে।
৫০। পিট কয়লার বৈশিষ্ট্য ভিজা ও নরম।
৫১। কার্বনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি-অ্যান্থ্রাসাইট কয়লায়।
৫২। বায়োগ্যাসে মিথেন থাকে-৬০-৭০%।
৫৩। বায়োগ্যাসে গোবর ও পানির অনুপাত=১/২।
৫৪। প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেন থাকে-৮০-৯০%।
৫৫। পেট্রোলিয়াম থেকে পাওয়া যায়-প্যারাফিন।
৫৬। পেট্রোলকে সবুজ জ্বালানি বলা হয়।
৫৭। সূর্যে শক্তি তৈরি হয়-ফিউশন প্রক্রিয়ায়। অনেকগুলো পরমাণু মিলে একটি ভারী
পরমাণু তৈরি করে।
৫৮। জীব থেকে জীবের উৎপত্তি বলেছেন-এরিস্টটল।
৫৯। ক্ষতিকারক পতঙ্গকে পেস্ট বলে।
৬০। বিপুল এবং সোনালী উন্নত জাতের রেশম পোকা।
৬১। আদিকোষ-ব্যাকটেরিয়া।
৬২। একাধিক নিউক্লিয়াস থাকে-পেশি কোষে।
৬৩। প্রাণীর বহু নিউক্লিয়াসযুক্ত কোষকে বলে-সিনসাইড্রিয়াম।
৬৪। মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে না-ব্যাকটেরিয়ায়।
৬৫। দেহের রাসায়নিক কারখানা-সাইটোপ্লাজম।
৬৬। প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়-রাইবোসোমকে।
৬৭। কোষের মস্তিষ্ক/প্রাণশক্তি বলা হয়-নিউক্লিয়াসকে।
৬৮। নিউক্লিয়াস থাকে না-লোহিত রক্ত কনিকায়।
৬৯। অপত্য কোষের ক্রমোজোম সংখ্যা মাতৃকোষের অর্ধেক হয়-মিয়োসিস বিভাজনে।
৭০। উদ্ভিদ মাটি থেকে পানি ও খনিজ লবণ পরিবহন করে-জাইলেম কলার মাধ্যমে।
৭১। মানব দেহে জীনের সংখ্যা-৪,০০,০০০ টি।
৭২। ধানের বাদামী রোগ হয়-ছত্রাকের দ্বারা।
৭৩। লেটব্লাইট রোগ হয়-আলুর।
৭৪। লালপচা রোগ হয়-আখের।
৭৫। সবচেয়ে বড় ঘাস-বাঁশ।
৭৬। সূর্য কন্যা বলা হয়-তুলা গাছেকে।
৭৭। মরুভূমিতে জন্মানো উদ্ভিদকে-জেরোফাইট বলে।
৭৮। নিরপেক্ষ দিনের উদ্ভিদ-আউশ ধান, সূর্যমুখী, শসা।
৭৯। ছায়াবৃক্ষের সাথে সম্পর্কিত-চা বাগান।
৮০। সরিয়া বহুপ্রতিসম ফুল।
৮১। অপ্রতিসম ফুল-কলাবতী।
৮২। সালোকসংশ্লেষণের অন্ধকার পর্যায়-কেলভিন বিক্রিয়া নামে পরিচিত।
৮৩। সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি হয়-লাল আলোতে।
৮৪। মূলের সাহায্যে প্রজনন করে-ডালিয়া।
৮৫। অক্টোপাসকে ডেভিল ফিস বলা হয়।
৮৬। পেঙ্গুইনের জিভ কণ্টকময়।
৮৭। দীর্ঘতম পথ পাড়ি দিতে পারে-গাঙচিল।
৮৮। জিরাফ শব্দ করতে পারে না।
৮৯। জীবনে একবারও পানি পান করে না-ক্যাঙ্গারু র্যাট।
৯০। সামনের দিকে সাতার কাটতে পারে না-জেলী ফিস।
৯১। নিউক্যাসেল রোগের অপর নাম-রানীক্ষেত রোগ।
৯২। যে সব অনুজীব রোগ সৃষ্টি করে তাদেরকে-প্যাথজোনিক বলে।
৯৩। রাইজোবিয়াম-ব্যাকটেরিয়া।
৯৪। কেঁচোর রক্তে হিমোগ্লোবিন থাকে-রক্তরসে।
৯৫। হিমোগ্লোবিন-আমিষ জাতীয় পদার্থ।
৯৬। তিনটি হৃদপিন্ড আছে-ক্যাটল ফিসের।
৯৭। হৃদপিন্ডকে আবরনকারী পর্দার নাম-পেরিকার্ডিয়াম।
৯৮। হৃদপিন্ডের প্রসারণকে বলে-ডায়াস্টোল এবং সংকোচনকে বলে-সিস্টোল।
৯৯। হার্টের সাউন্ড চার ধরনের।
১০০। নাড়ীর স্পন্দন প্রবাহিত হয়-ধমনীর ভিতর দিয়ে।
১০১। হৃদপিন্ডের বন্ধ শিরা বেলুনের সাহায্যে ফুলানোকে বলে-এনজিওপ্লাস্টি।
১০২। পূর্ণাঙ্গ ব্যক্তির ফুসফুসে বায়ু ধারণ ক্ষমতা-৬ লিটার।
১০৩। নিউমোনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়-ফুসফুস।
১০৪। মস্তিষ্কের ক্ষমতা ক্ষয় পেতে থাকে স্নায়ু কোষের এক চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে
গেলে।
১০৫। নিদ্রাহীনতাকে বলে-ইনসোমনিয়া।
১০৬। দেহের সবচেয়ে কঠিন অংশের নাম-এনামেল।
১০৭। মানুষের দুধের দাতের সংখ্যা-২০ টি।
১০৮। বিলিরুবিন তৈরি হয়-প্লীহায়।
১০৯। মানুষের শরীরের সর্ববৃহৎ গ্রন্থি-যকৃত গ্রন্থি।
১১০। অতিরিক্ত গ্লুকোজ গ্লাইকোজেন নামে জমা থাকে-যকৃতে।
১১১। প্রোটিনের মূল উপাদান-নাইট্রোজেন।
১১২। আমিষের অভাবে কোয়াশিয়রকর রোগ হয়।
No comments:
Post a Comment